20
Sharesতিনদিন হয় বিশ্বকাপ মাঠে গড়িয়েছে। কিন্তু গড়ালেই কি আর জমে উঠে! মানে দর্শকদের তো চোখ বড় দল আর বড় ম্যাচে। সেজন্য আজ ভোরে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে একটা চোখ রাখা ছিল সেই শুরু থেকে। কারণ ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে থাকা দুই দল ব্রাজিল ও মরক্কোর লড়াই। অনেকের মতে, গ্রুপ পর্বে এটাই সবচেয়ে বড় ম্যাচ!
সেই বড় ম্যাচ ১–১ গোলে ড্র হওয়ায় রাত জাগার ক্লান্তি হয়তো পুরোপুরি উসুল হয়নি দর্শকের। ব্রাজিলের সমর্থকদেরও মনটা একটু উসখুশ করার কথা। ভিনিসিয়ুসের পা থেকে উছলে পড়া জাদুতে গোলটি ছাড়া প্রথমার্ধে ‘হরর শো’ দেখায় ব্রাজিল। উল্টো ২১ মিনিটে ইসমায়েল সাইবারির গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর জয়ে ‘ফেবারিট’ ছিল মরক্কোই।
কারণ, মাঝমাঠে মরক্কোর ‘ফ্লুইড ফুটবল’ ঠেকাতে কাসেমিরোকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। রক্ষণে রজার ইবানিয়েজের ‘নিখোজ সংবাদ’ও পরিস্কার ফুটে ওঠে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এই দুজনকে তুলে ফাবিনিও ও দানিলোকে নামিয়ে সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়ান ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তারপর ধীরে ধীরে ছন্দে ফেরার চেষ্টা করে ব্রাজিল। কখনো পেরেছে, কখনো পারেনি।
ব্রাজিল পারে না তাই দলবদল- |
গত চার–পাঁচ বছরে ফুটবলে ‘বিপ্লব’ ঘটানো ‘আটলাসের সিংহ’ মরক্কোও ব্রাজিলের অগোছাল মাঝমাঠের সুযোগ নিয়ে আর গোল করতে পারেনি। বরং বিরতির পর ব্রাজিলই বেশি ভালো খেলার চেষ্টা করে। তবে যোগ করা সময়ে (৯৯ মিনিট) মরক্কো মিডফিল্ডার নিল এল আয়নাউয়ির দুরপাল্লার শট ব্রাজিলের গোলকিপার আলিসন রুখে দিতে না পারলে মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচ থেকে আর পয়েন্ট পাওয়া হতো না ব্রাজিলের।
মরক্কোর মাঝমাঠের ক্ষুরধার খেলার সামনে ব্রাজিলের আসলে মাঝমাঠ বলতে তেমন কিছু ছিল না! এর মাঝেই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ঝলকে সতীর্থদের উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন ভিনিসিয়ুস। যেন অনেকটাই ‘কামথ দ্য আওয়ার, কামথ দ্য ম্যান!’
পূর্বের খেলার খবর- সুইসদের আক্রমণের স্রোত আর কাতারের প্রতিরোধে পয়েন্ট ভাগাভাগি |
ভিনিসিয়ুসের জ্বলে ওঠার রসদটা আসলে জুগিয়েছে সাইবারির ওই গোল। যে গোলে ভুল আছে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতার। বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি, সেখান থেকে বল পান মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজ। তাঁর থ্রু পাসটা ধরে ব্রাজিলের দুই ডিফেন্ডারকে দুই পাশে রেখে আলিসনের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে গোল করেন সাইবারি।