জাতীয়



দেশদর্পণ ডেস্ক

মে / ০১ / ২০২১


ওবায়দুল কাদের

লকডাউনের পর গণপরিবহণ চালুর চিন্তা ভাবনা করছে সরকার


114

Shares

লকডাউনের পর জনস্বার্থ বিবেচনায় গণপরিবহণ চালুর ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় একথা জানান তিনি। তিনি বলেন, চলমান লকডাউন শেষে ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি থাকবে। সে সময় স্বাভাবিকভাবেই গ্রামের বাড়িতে যাবেন রাজধানী শহরের হাজার হাজার মানুষ। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই গণপরিবহন চালুর কথা ভাবা হচ্ছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

পরিহন শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলন-বিক্ষোভে যাবেন না। আপনারা ধৈর্য ধরুন। সরকার আপনাদের কথাও ভাবছে। এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালুর দাবিতে রবিবার (২ মে) সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। শুরুতে গণপরিবহন বন্ধ রাখা হলেও পরে মহানগরগুলোতে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়। শেষ দিকে এসে সময় বেঁধে দিয়ে দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখারও সিদ্ধান্ত আসে। পরে সরকার আরও দুই দিনের জন্য বিধিনিষেধের সময় বাড়ায়। কিন্তু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল কঠোর বিধিনিষেধসহ লকডাউন আরোপ করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন আরও এক সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ায় সরকার। সেটা শেষ হলে আবারও সাত দিন বাড়িয়ে লকডাউন ৫ মে পর্যন্ত করে সরকার। কঠোর লকডাউন নিশ্চিতে আরোপ করা হয় ১৩ দফা বিধিনিষেধ। এর মধ্যে শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থাকলেও মানুষের জীবন-জীবিকা বিবেচনায় লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

চলমান লকডাউনের মধ্যে ২৫ এপ্রিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট ও শপিং মল আরও বেশি সময় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

জাতীয়