জাতীয়



দেশদর্পণ ডেস্ক

মে / ০৪ / ২০২১


করোনার ধরণ

চট্টগ্রামে ২টি দেশের করোনার ধরণ শনাক্ত


106

Shares

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে ৬ মে থেকে ঢাকাসহ জেলার মধ্যে চলবে গণপরিবহন।

কিন্তু সংক্রমণের ভয়াবহতা ঠেকাতে মানুষের দূর যাতায়াত বন্ধই থাকবে। এ জন্য আন্তজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। একইভাবে বন্ধ থাকবে ট্রেন ও লঞ্চ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা হয়েছে সব ধরনের শিল্প-কারখানা। বিশেষ করে তৈরি পোশাক কারখানা। এসব কারখানায় ঈদুল ফিতরের ছুটি তিন দিনের বেশি না দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) একদল গবেষক বন্দর নগরীর সংক্রমিত করোনার নমুনায় যুক্তরাজ্য এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণ পেয়েছেন। তবে ভারতীয় কোনো ধরণ পাওয়া যায়নি। বলা হচ্ছে, ১০টি নমুনার ৬টিতেই যুক্তরাজ্য ও তিনটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার ধরণ।

সিভাসু থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়েছে। এই গবেষণা পরিচালনা করেন সিভাসুর অধ্যাপক ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. শারমিন চৌধুরী, ডা. ইফতেখার আহমেদ রানা, ডা. ত্রিদীপ দাশ, ডা. প্রাণেশ দত্ত, ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম ও ডা. তানভীর আহমদ নিজামী। এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়ন করে এ গবেষণা কার্যক্রম চালানো হয়েছে। গবেষণার অংশ হিসেবে SARS-CoV-2 বা নোভেল করোনাভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করার জন্য ১০টি নমুনা পাঠানো হয় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসাআইআর), ঢাকায়।

এরপর বিসিএসআইআর-এর দুইজন গবেষক ড. মো. সেলিম খান ও ড. মো. মোরশেদ হাসান সরকার এ গবেষণায় যোগ দেন।

তবে গবেষণাটি মূলত চট্টগ্রামকেন্দ্রিক করা হয়েছে। সেই ফলাফলে দেখা যায়, দশটি নমুনার মধ্যে ছয়টিতে করোনাভাইরাসের যুক্তরাজ্যের ধরনের (B.1.1.7) উপস্থিতি রয়েছে এবং তিনটিতে দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন (B.1.351) রয়েছে। তবে যে ধরন (B.1.617) বর্তমানে ভারতে চিহ্নিত হয়েছে, তার উপস্থিতি নেই। বিভিন্ন বয়সের আক্রান্ত রোগীর কাছ থেকে নমুনাগুলো সংগ্রহ করা হয়। ওই আক্রান্ত রোগীদের পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল।

জাতীয়