দর্পণ ৩৬০ ডিগ্রি



নিজস্ব প্রতিবেদক

এপ্রিল / ২৩ / ২০২১


গাড়ি আটক করায়, পুলিশের উপর খেপলেন শ্রমিক নেতা


365

Shares

এবার ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে সিলেটে আসার পথে মাইক্রোবাস আটক করায় ট্রাফিক পুলিশের উপর খেপলেন সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন। শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে দক্ষিণ সুরমা থানার অতির বাড়ি এলাকায় গাড়িটি আটকের পর আবুল হোসেন খবর পেয়ে তার দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সাথে বিরূপ আচরণ করেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

তবে আজকেই নতুন নয়। পরিবহণ শ্রমিক নেতা আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। বিভিন্ন ঘটনায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে এই শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে। আজকের ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে সিলেটের দিকে ৭ জন যাত্রী নিয়ে আসছিলো একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১৩-৪১০৮)। এসময় দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট জসিম গাড়িটি আটক করেন।

এর কিছু সময় পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন শ্রমিক নেতা আবুল হোসেন ও আরও কয়েকজন। তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে ট্রাফিকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে খারাপ আচরণ করেন। পরে থানা পুলিশের একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে আসলেই তিনি সরে যান।

তবে অভিযুক্ত সিলেট জেলা সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে শুরুতের একটা গালি দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওই সার্জেন্ট খুবই খারাপ। সে আমার এক শ্রমিকের গাড়ি আটক করেছে। আমি তখন ঘুমে ছিলাম। চালকের সাথে একটা পাস আছে। সে সিলেট থেকে আগে ঢাকা গিয়ে এখন আবার সিলেট আসার পথে ছিলো।

সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০ টায় চালক আমাকে ফোন দিলে আমি খুব অনুরোধ করে বলার পরও গাড়িটি ছাড়েনি। পরে আমি টিআই কামাল ভাইকে ফোন দিলাম। উনিও কথা মানাতে পারেননি। তাই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তখন টিআই কামাল ভাই আমাকে অনুরোধ করে বললেন ভাই, ডিসি স্যার জেনে গেছেন। আপাতত র‍্যাকার হয়ে যাক। সন্ধ্যার পরে একটা সিস্টেম করে গাড়িটা নিয়ে যাইয়েন।

তাই আমি চলে এসেছি।’ এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, ‘ওখানে আমাদের ট্রাফিক দায়িত্ব পালন করছিলো। আমাদের কাছে তথ্য ছিলো গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় মাইক্রোবাস যাত্রী নিয়ে সিলেট-ঢাকা চলাচল করে। তাই আজ ৭ জন যাত্রীসহ একটি গাড়ি আটক করা হলে আবুল হোসেন নামের এক শ্রমিক নেতা পুলিশের কাজে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে থানায় কল দেওয়া হলে পুলিশ আসার আগেই সে পালিয়ে যায়।

দর্পণ ৩৬০ ডিগ্রি