143
Sharesসিরিজ বাঁচাতে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে উইন্ডিজকে ১৬৪ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ দল। বল হাতেও শুরুটা ভালো পেয়েছিল টাইগাররা। ক্যারিবীয়দের ৪৩ রানে তুলে নেয় ৩ উইকেট।
এরপর কাইল মায়ার্স আর নিকোলাস পুরানের ৫১ বলে ৮৫ রানের জুটির কাছে হার মানতে হয় সফরকারীদের। যেখানে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সমান ৫টি করে চার-ছয়ে ৩৯ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন পুরান।
অথচ ক্যারিবীয় অধিনায়ককে ইনিংসের ১২তম ওভারে ২৮ রানে ফেরানোর সহজ সুযোগ পেয়েও মিস করেন শরিফুল ইসলাম। বাঁহাতি পেসার নিজের বলে সরাসরি থ্রোতে উইকেট ভাঙতে পারলে রান আউটে কাটা পড়তেন পুরান।
রান আউটের জন্য শরিফুল যে সময় পেয়েছিলেন, মাঝ ক্রিজ থেকে দৌড়ে গিয়ে স্টাম্প ভাঙলেও আউট হতেন পুরান। সেই পুরানই পরে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকদের জয় নিশ্চিত করেন।
হারের পর সেই রান আউট মিস করাকে কাঠগড়ায় তুললেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ‘ভালো একটা সুযোগ ছিল। পুরানের রান আউট হাতছাড়া করাটা ব্যবধান গড়ে দিয়েছে। মায়ার্স ও পুরান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে।
আমাদের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছে। বোলাররা শুরুতে ভালো করেছে। এরপর আর ২-১ উইকেট তুলে নিতে পারলে ভালো হতো। মায়ার্স ও পুরানের পার্টনারশিপই আমাদের দূরে ঠেলে দিয়েছে।’
গায়ানার মন্থর উইকেটে ১৬৪ রানের লক্ষ্য দিয়েও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ১০ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটে জিতে নেয় উইন্ডিজ। অথচ এর আগে এই মাঠে ১৫০ রানের বেশি টার্গেট তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ছিল না।
স্কোর বোর্ডে ১৬৩ রান জমা করে ম্যাচ হারের পর বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মনে করছেন, বোর্ডে ১০ রান কম হয়েছিল তাদের। মাহমুদউল্লাহর ব্যাখ্যা, ‘রান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলাম। তারপরও বোধহয় আমরা ১০ রান কম করেছি।
১৭০ এর বেশি রান করলে ভালো লাগত। লিটন ভালো করেছে, আফিফ দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছে। শুরুতে বোলাররা জয়ের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিল।’ তিন ম্যাচের সিরিজ ০-২ ব্যবধানে হারের পরেও ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ, ‘আমি মনে করি কিছু ইতিবাচক দিক আছে।
ব্যাটিং ইউনিট পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। প্রথম কয়েক ওভারকে লক্ষ্য করেছিলাম। বোলিংয়ে উইকেট শিকারের উপায় খুঁজে বের করতে হবে, সুযোগগুলো কাজে লাগাতে হবে।’