জাতীয়



দেশদর্পণ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০১৮, ৪:১৮ পূর্বাহ্ণ




স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে উৎসব আজ

দেশদর্পণ ডেস্ক :: স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতারে নাম উঠেছিল ১৯৭৫ সালে। তারপর কত চড়াই-উৎরাইয়ের ২৩ বছর পেরিয়ে এবার উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নাম উঠার পালা। বিশ্বে এখন বাংলাদেশের নতুন পরিচয়- মধ্য আয়ের দেশ। এ অর্জন আত্মমর্যাদার, অহংকারের, গৌরবের। আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্জন উদযাপনে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। এ কর্মসূচি ২০ মার্চ শুরু হলেও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসব করবে আজ বৃহস্পতিবার। এজন্য বিভিন্ন কর্মসূচির আয়েঅজন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের এই অর্জনের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে সরকারের পক্ষ থেকে। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্যমনি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় বক্তব্য রাখবেন তিনি। মঞ্চে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘২১ মার্চের রাত পোহলেই নানা ধরণের কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে আনন্দে মাতবে সমগ্র বাঙ্গালি জাতি। সরকারের সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার পক্ষ থেকে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু কনভেনশন হলে। এরপর দুপুরের পর রাজধানীর ৯টি পয়েন্ট থেকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তাদের অধীনস্ত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দেশের আপামর মানুষ আনন্দ র‌্যালিতে করে যোগ দেবে সরকার আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে তা উপভোগ করবেন। সঙ্গে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ দেশের সাধারণ মানুষও উপস্থিত থাকবেন। এ অনুষ্ঠান থাকবে সবার জন্য উম্মুক্ত কিন্তু আসন পূর্ণ হয়ে গেলে আর কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না স্টেডিয়ামে। তবে তাদের স্টেডিয়ামের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এলইডি মনিটরের সাহায্যে ভেতরের অনুষ্ঠান দেখানো হবে। এছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো ওই অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করবে।

এ ছাড়াও রাজধানীর হাতির ঝিলে আলোকসজ্জা, আতশবাজি ফোটানোসহ নানা ধরণের অনুষ্ঠান থাকবে। এখানে পরিকল্পনামন্ত্রী আ ফ ম মোস্তফা কামাল উপস্থিত থাকবেন। পরের দিন রাজধানীর রেডিসন হোটেলে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এটির আয়োজন করছে ইআরডি। এ সেমিনারে অংশ গ্রহণের জন্য ইতোমধ্যেই ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ। এছাড়াও দেশে কর্মরত সরকারি সকল প্রতিষ্ঠান তাদের নিজ নিজ সেবা থেকে অন্তত যে কোনও একটি সেবা সাধারণ মানুষের জন্য উম্মুক্ত রাখবেন, যা বিনা পয়সায় পাওয়া যাবে। এ সেবা দেওয়া কার্যক্রম চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এলডিসি (স্বল্পোন্নত) থেকে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় ২০ তারিখ থেকে উৎসব শুরু হয়েছে। এই উৎসব চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত। প্রধানমন্ত্রী এই অর্জনের রূপকার। আগামী ২২ মার্চ সকালে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ওইদিন দুপুরের পর থেকে রাজধানীর ৯টি অঞ্চল থেকে জনগণ র‌্যালি সহকারে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জমায়েত হবে বিকাল ৩টার মধ্যে। সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ২৬ তারিখ পর্যন্ত সরকারের সব দফতর থেকে জনগণকে যেকোনও একটি সেবা ফ্রি দেওয়া হবে।’

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর