সিলেট প্রতিক্ষণ



দেশদর্পণ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০১৭, ২:৪৫ অপরাহ্ণ




সিলেটে ইন্দিরা গান্ধীর জন্মশতবর্ষ উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :: কবিতা, সংগীত ও আলোচনায় সিলেটে স্মারণ করা হলো মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে। গত রবিবার রাতে সিলেট নগরের সারদা হলের সম্মিলিত নাট্য পরিষদের মহড়া কক্ষে বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থক এই রাষ্ট্র নায়কের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে উৎসবের আয়োজন করে ইন্দিরা গান্ধী জন্মশতবর্ষ উদযাপন পর্ষদ সিলেট।

পর্ষদের সভাপতি সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অম্বরীষ দত্তের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মুক্তাদীর আহমদ মুক্তার পরিচালনায় উৎসবের আলোচনাপর্বে অংশ নেন কবি তুষার কর, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ফারজানা সিদ্দিকা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জায়েদা শারমিন। স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অনিমেষ বিজয় চৌধুরীর পরিচালনায় সম্মিলিত কণ্ঠে উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। ইন্দিরা গান্ধীকে নিয়ে আবদুল গফ্ফার চৌধুরী রচিত কবিতা আবৃত্তি করেন সৈয়দ সাইমুম আনজুম ইভান ও ফাহমিদা সুলতানা সুচি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতিচারণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্যে দেশের বাইরে যদি কারো কাছে কৃতজ্ঞ থাকতে হয় তাহলে সর্বাগ্রে যে নামটি আসবে তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।’ মানব দরদি, অসম সাহসী এই বিশ্ব নেতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে আপোষহীন ছিলেন উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ‘বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে উপমহাদেশের শান্তি ও মৈত্রি স্থাপনে তাঁর ভূমিকা ছিলো অপরিসিম।’ বর্তমান দু:সময়ে তরুণ প্রজন্মকে ইন্দিরা গান্ধীর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে মানবতার জন্য রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ‘নিপীড়িত ও বঞ্চিত অধিকার হারা মানুষের কল্যাণে ইন্দিরা গান্ধী ছিলেন দৃঢ়চেতা।’ আধুনিক, বিজ্ঞান মনস্ক, সংস্কৃতিমনা ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশের দু:সময়ে যেভাবে পাশে দাড়িয়েছেন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের অগ্রগতীতে যে ভূমিকা রেখেছিলেন তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর