সিলেট প্রতিক্ষণ



দেশদর্পণ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৮:৩০ অপরাহ্ণ




লাঙ্গলের জোয়াল কাঁধে পড়বে : সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সমাবর্তন অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যের বাইরে সমাবর্তন প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘লাঙ্গলের জোয়াল কাঁধে পড়বে। দায়িত্ব নিতে হবে। এতদিন বাবা-নিকট আত্মীয়জনের উপর চলছে এখন আর হবে না। অবস্থা খুবই কঠিন।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

তিনি আঞ্চলিক ভাষায় আরো বলেন, ‘সময় খুব অল্প। বেশি কিছু বলার নাই। আমি খুশি হয়েছি, গোল্ড মেডেল পাইছে যারা তার দুইটাই আমার হাওর এলাকার। হাওরের দুইজন পাইছে স্বর্ণপদক, সবাইরে বাদ দিয়া নেওয়া হয় নাই। কারণ সাগরের দিকেও পাইছে একজন, পটুয়াখালি ওইদিকের। আরেকটা উত্তরবঙ্গেও গেছে। সুতরাং বাংলাদেশ কভার কইরা ফেলা হইছে।’ এরপর ঠাট্টা করে যোগ করেন, ‘তবে হাওর বাজিমাতৎ করে দিছে। আমি যেহেতু এখানে আসছি, হাওরকে তো একটু বেশি পেতেই হবে। সুতরাং অন্যে কম পাইলেও কষ্ট নেওয়ার কিছু নাই।’

নির্ধারিত বক্তব্যের বাইরে তাঁর বক্তব্য শোনার আগ্রহের বিষয়টি লক্ষ্য করে এসময় তিনি বলেন, ‘এই সপ্তাহে আজকে নিয়ে তিনটা না চারটা সমাবর্তনই করছি। কত কথা-ই আর বলা যায়। আবার প্লেনের যাত্রীরা সময়ের চেয়ে দেরি করলে দেরি করছি এজন্য গালাগালিও করতে পারে। তাই এখানে বেশি লম্বা বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ নাই। লিখিত বক্তব্য আছে, এটা পড়া শেষও হয়ে গেছে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য আশাবাদ ব্যক্ত করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ‘ছেলেমেয়েরা আছো। অবশ্য তোমাদের চেহারাও দেখতে পারছি না। এত দূরে আছো তোমরা। গান আছে না- দূরের মানুষ কাছে আসো। এই গান গাইবারও সুযোগ নাই। কারণ তোমাদেরও সুযোগ নাই কাছে আসার, আমারও যাওয়ার সুযোগ নাই। তবুও তোমাদের আমি দূর থেকে ভালোবাসি, আশির্বাদ করি যেন তোমরা ভালো থাকো। তোমরা এই দেশকে সত্যিকার একটা সুন্দর দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। কারণ আমরা বৃদ্ধ জঞ্জাল। আমরা চলে গেলে এই দেশ আরো বেশি সুন্দর হবে তোমাদের নেতৃত্বে। সবকিছু চলবে। তোমরা এই দেশকে সুন্দর করে পরিচালনা করবে এই আশাই করি।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর