আন্তর্জাতিক



দেশদর্পণ ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৬:০২ অপরাহ্ণ




রাসায়নিক হামলা প্রমাণ মিললে সিরিয়ায় অভিযানে যোগ দেবে ব্রিটেন

সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ পাওয়া গেলে সেখানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করা মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটে অংশ নেবে ব্রিটেনও। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন এমনটাই বলেছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন।

বিবিসি রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাতকারে জনসন বলেছেন, যদি রাসায়নিক হামলার প্রমাণ পাওয়া যায় তবে ব্রিটেন ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো বসে থাকবে না। জনসন বলেন, ‘যদি আমরা জানতে পারি যে সত্যিই এমনটা হয়েছে তবে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা চিন্তা করবো আমরা। আমরা অভিযানে কাজে আসতে পারি।

সোমবার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ঘৌটার বিমান হামলায় রাসায়নিক গ্যাস ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন হোয়াইট হেলমেটস-এর স্বাস্থ্যকর্মীরা। দামেস্কের কাছে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ঘৌটায় এক সপ্তাহ ধরেই বিমান হামলা চালাচ্ছে আসাদ বাহিনী। হোয়াইট হেলমেটস-এর দাবি, সেখানে ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহার হয়েছে।

বরিস জনসন বলেন, গত বছর রাসায়নিক গ্যাস হামলায় শিশুসহ প্রায় ১০০ জন নিহত হওয়ার জবাবে সিরিয়ার সেনাঘাঁটিতে মার্কিন জোটের বিমান হামলাকে সমর্থন করেন তিনি।

জাতিসংঘ ওই হামলায় সিরিয়াকে অভিযুক্ত করে আসলেও বারবার সেটি অস্বীকার করেছেন বাশার আল আসাদ। জনসন বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলো আমরা নিজেদের জিজ্ঞাসা করছি যে এটা আমরা হতে দিতে পারি কি না। আমরা এই রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার কখনোই মেনে নেবো না।’

চলতি মাসের ৫ তারিখেও আসাদ বাহিনীর বিরুদ্ধে রাসায়নিক হামলার অভিযোগ উঠেছিল। হোয়াইট হেলমেটস জানিয়েছিল, সরকারি বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে ‘ক্লোরিন বোমা’ নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর আগে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থার যৌথ তদন্তে প্রমাণিত হয়, আসাদ সরকার ২০১৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্তত তিন দফায় নিজ দেশের নাগরিকদের ওপর ক্লোরিন হামলা চালিয়েছে। এছাড়া গত এপ্রিলে আসাদ বাহিনীর সারিন গ্যাস হামলায় নিহত হন ৮০ জনেরও অধিক ব্যক্তি। তবে সরকারিভাবে বরাবরই রাসায়নিক হামলার খবর অস্বীকার করে আসছে সিরিয়া। এসব হামলার জন্য উল্টো বিদ্রোহীদেরই দায়ী করছে তারা।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর