লিড নিউজ, সিলেট প্রতিক্ষণ



দেশদর্পণ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০১৭, ১২:১৮ অপরাহ্ণ




‘রংপুর নির্বাচনের প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে কম থাকবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক :: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রভাব জাতীয় নির্বাচনে খুব কমই থাকবে। এটা অত্যন্ত স্থানীয় ব্যাপার। তাছাড়া রংপুরে জাতীয় পার্টি যথেষ্ট জনপ্রিয়।

তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে সিলেট নগরের রিকাবীবাজারে কবি নজরুল ইসলাম অডিটরিয়ামে বিমা মেলার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

বিজয়ী প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল বলেন, আমাদের নির্বাচন সিস্টেমকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নির্বাচন সিস্টেমের যে নিরপেক্ষতা আছে সেটা এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনে জয়লাভ করায় জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা প্রায় লাখ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। গোলযোগ না হওয়ায়, অনিয়মের অভিযোগ না থাকায় রংপুরের নির্বাচন আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য মডেল হয়ে থাকবে বলে নির্বাচন কমিশন মনে করছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের শহর রংপুরে জাতীয় পার্টির অবস্থান যে খুবই শক্ত, সে বিষয়টিও স্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা মুহিত। তিনি বলেন, দেশে যেখানে বহু রাজনৈতিক দল রয়েছে, সেখানে একেক জায়গায় একেক দলের প্রার্থী নির্বাচিত হবেন- এটা খুবই স্বাভাবিক। দেশের নির্বাচন পদ্ধতিতে যে নিরপেক্ষতা রয়েছে তা এই নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে সিলেটের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে বীমা মেলার উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী। পরে বীমা মেলার বিভিন্ন স্টল তিনি ঘুরে দেখেন।

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইডিআরএর চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মানিক চন্দ্র দে বক্তব্য দেন।

৩২টি কোম্পানির অংশগ্রহণে শুরু হওয়া এই বীমা মেলা শেষ হবে শনিবার। এই মেলার উদ্বোধনে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের গ্রহকদের প্রায় ১৯ কোটি টাকার বীমার দাবিও নিষ্পত্তি করে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ফার্মার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ মোটামুটি ভাঙা হয়ে গেছে। তবে প্রশাসক নিয়োগ ঠিক করা হয়নি, সেটি নিয়ে গভর্নরের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করা হবে। তবে সরকার যেহেতু নিয়েছে গ্রাহকের টাকা মারা যাবে না। এটা সরকারই ব্যবস্থা করবে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর