দেশদর্পণ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০১৮, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ




মাহিদের মরদেহ ডায়াবেটিক হাসপাতালের হিমঘরে, আগামীকাল জানাজা

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট নগরের দক্ষিণ সুরমার কদমতলী এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত মাহিদ আল সালামের (২৮) মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মরদেহ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

তার বড় বোন ও প্রবাসী ভাই যুক্তরাজ্য থেকে আসার পর জানাজা সম্পন্ন হবে বলে জানান মাহিদের বন্ধু আহমেদ আনহার।

তিনি বলেন, ‘মাহিদের মরদেহ ডায়াবেটিক হাসপাতালের হিমঘরে, আগামীকাল তার বড় বোন ও ভাই যুক্তরাজ্য থেকে আসার পর জানাজা সম্পন্ন হবে।’

আনহার জানান, তার বড় বোন ও বড় ভাই ইতমধ্যে দেশের উদ্দ্যশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। আগামীকাল ভোরে তাদের দেশে পৌঁছার কথা রয়েছে।

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ফজল জানান, চাকুরী সংক্রান্ত কাজে মাহিদ রোববার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাবার জন্য রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হন। তিনি রাত ১টার দিকে কদমতলী এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে হাঁটুর পেছনে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে সেখানে অচেতন অবস্থায় পরে থাকতে দেখে এক রিকশাচালক তাকে নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হলে ক্বীনব্রিজ এলাকা থেকে পুলিশ মাহাদিকে রাত আড়াইটার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাহিদ।

নিহত মাহিদের পিতা সিলেট জেলা বারের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট আব্দুস সালাম। তারা দুই ভাই ও দুই বোন। মাহিদ ছিলেন সবার ছোট। তার বড় বোন আফসানা সালাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক, আরেক বোন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিজি) চিকিৎসক এবং ভাই প্রবাসী।

জানা যায়, নিহত মাহিদ শাবি থেকে স্নাতকোত্তর পাস করে কিছুদিন বেসরকারি মোবাইল কোম্পানি বাংলালিংকে চাকুরী করেছেন। এছাড়াও শাবিতে পড়ার সময় তিনি শাবির মাভৈ আবৃত্তি পরিষদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছিলেন এবং শাবিপ্রবি পঞ্চখণ্ড স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর