দেশদর্পণ ডেস্ক
Ad Space
ভ্যাকসিন পরিকল্পনায় যুক্ত হচ্ছে ১৭২ দেশ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনে ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যাত্রা করা ‘কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি’তে যুক্ত হচ্ছে বিশ্বের প্রায় ১৭২টি দেশ। কিন্তু এ কাজে প্রয়োজন বড় অঙ্কের তহবিল এবং দেশগুলোকে এখনই এ ব্যাপারে অঙ্গীকার করতে হবে বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। খবর রয়টার্স।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, কোভ্যাক্স পরিকল্পনার অংশ হতে আগ্রহ দেখাতে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় পাচ্ছে দেশগুলো। এছাড়া যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা চূড়ান্ত করতে হবে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ও প্রাথমিক কিস্তির অর্থ পরিশোধ করতে হবে ৯ অক্টোবরের মধ্যে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডহ্যানম গেব্রেইসাস বলেছেন, কভিড-১৯ মহামারীর সমাপ্তি ঘটাতে কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি প্রতিষ্ঠা খুব জরুরি ছিল এবং এটি দেশগুলোর জন্য ভ্যাকসিন উন্নয়ন ও কেনাই নিশ্চিত করবে না, পাশাপাশি দামও ‘যথাসম্ভব কম’ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

সোমবার জেনেভায় মিডিয়া ব্রিফিংয়ে গেব্রেইসাস বলেন, ‘ভ্যাকসিন জাতীয়তাবাদ ভাইরাসকে সাহায্যই করবে। কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির সফলতা দেশগুলোকে এর সঙ্গে যুক্ত হতেই শুধু সাহায্য করছে তা নয়, এটি তহবিল গঠনেও ব্যবধান ঘুচিয়ে আনবে।’

ভ্যাকসিন তৈরি হয় গেলে বিশ্বব্যাপী সবার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই কোভ্যাক্স এর সূচনা ঘটে, যার নেতৃত্বে আছে ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স গ্যাভি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সিইপিআই (কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনস)।

কোভ্যাক্সের আওতায় রয়েছে ৯টি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকার কোম্পানি এবং এর লক্ষ্য হলো ২০২১ সালের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ সংগ্রহ ও সরবরাহ করা। গেব্রেইসাস বলেন, ‘প্রথমদিকে, যখন উৎপাদন (কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন) সীমিত আকারে থাকবে তখন বিশ্বের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ এলাকায় সর্বাগ্রে সরবরাহের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।’

গেব্রেইসাস জানান, ‘সম্মুখসারির যোদ্ধা’খ্যাত স্বাস্থ্যকর্মীরা ভ্যাকসিনে অগ্রাধিকার পাবে, যারা কিনা ‘মুমূর্ষ রোগীদের জীবন বাঁচাতে ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্থিতি আনতে লড়াই করে আসছেন’।