খেলাধুলা



দেশদর্পণ ডেস্ক

6 December 2020, 7:46 AM




বিয়ানিবাজারের সাথে বিয়াইয়ালা করতে গিয়ে ছড়ালেন করোনাতঙ্ক

সিলেটের বিয়ানীবাজারে এবার নতুন করে করোনা আতংক দেখা দিয়েছে। সরকার যখন করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রনে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে । মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে জেল জরিমানার বিধান করে আইন করেছে। ঠিক সেই সময়ে বিয়ানীবাজার পৌর শহরে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের ঘটনা সচেতন মহলে নতুন করে শংকার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকে উদ্বেগ ও আতংকে রয়েছেন।

স্থানীয় প্রশাসনের নিরবতা ও রাজনৈতিক নেতাদের কান্ডজ্ঞান নিয়েও কথা তুলেছেন অনেকে। যদিও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের নাকের ডগায় সমাজিক ও শারিরিক দুরত্ব বজায় না রেখে কিংবা স্বাস্থ্য বিধি অনুসরন না করে এতোবড় আয়োজন নিয়ে এখন সচেতন মহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা।

জানাগেছে, বিয়ানীবাজার পিএইচজি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিয়ানীবাজার খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির আয়োজনে শুক্রবার ব্যারিষ্টার সুমন ফুটবল একাডেমির প্রীতি ফুটবল ম্যাচ সম্পন্ন হয়।

এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খলিল চৌধুরী আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ সামস উদ্দিন তার আইডি থেকে লিখেছেন, এই সেই মাঠ। দুরন্ত শৈশব, কৈশোর ও যৌবনের বিশেষ সময় ঐ মাঠে ই দৌড়াদৌড়ি করে কেটেছে। পায়ের শহবব হারিয়েছিলাম ঐ মাঠেই। প্রিয় পিএইচজি মাঠ। এই মাঠের খেলায় হতো হৃদয় স্পন্দিত। আর এই মাঠে ই হলো আজ মৃত্যুখেলা। হৃদয় আজ শংকিত। হে আল্লাহ প্রিয় বিয়ানীবাজার কে ও প্রিয় মানুষগুলোকে রক্ষা করুন।
আজিজ ইবনে গণি লিখেছেন এই কিছুদিন আগে বিয়ানীবাজারের রাস্তায় যারা মাস্ক ব্যবহার করেনি, কর্তৃপক্ষ তাদের নগদ জরিমানা করে। কথা বল্লেই, আরো জরিমানা। কিন্তু এই মাঠে কয়জনের মুখে মাস্ক আছে ? এখানে জরিমানা করবে কে ?

এছাড়াও এ নিয়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফেইসবুকের ওয়াল ছিল নেতিবাচক উক্তিতে সরব।

এ প্রসঙ্গে জানতে বিয়ানীবাজার সরকারী হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সামাজিক ও শারিরিক দুরত্ব বজায় ছিল না এই ম্যাচে আসা দর্শকদের তা তিনি ছবিতে দেখেছেন। তাঁর মতে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে এ রকম আয়োজন এক সময় আনন্দের চেয়ে বেশি বিষাদে পরিণত হতে পারে।

ব্যারিষ্টার সুমন তার নিজের ফেসবুকে “বিয়ানিবাজারের সাথে বিয়াইয়ালা করতে চাই” শিরোনামে একটি ভিডিও ছেড়েছেন। সেখানে তিনি তার ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে এই অঞ্চলের সাথে আত্মীয়তা করতে ইচ্ছে প্রকাশ করেন সাথে বিয়ানীবাজারের সড়ক পথের দুর্দশা তুলে ধরেন।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর