খেলাধুলা, লিড নিউজ



দেশদর্পণ ডেস্ক

২৫ অক্টোবর ২০১৭, ১:৫০ অপরাহ্ণ




‘ফিউচার সিক্সার্সে’র সেরা দশ বোলার চূড়ান্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি সিলেট সিক্সার্সের উদ্যোগে ‘ফিউচার সিক্সার্স’ স্লোগানে বোলার হান্টের চূড়ান্ত বাছাইয়ে সেরা দশ বোলার নির্বাচিত করা হয়েছে।

আজ বুধবার রিকাবীবাজারস্থ সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

চূড়ান্ত বাছাই প্রক্রিয়ায় গতকাল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিচারকের ভূমিকায় ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা ও কোচ ওয়াকার ইউনিস। তাকে কাছে পেয়ে পরামর্শ নিতে ভুল করলেন না আগামীদিনের বোলাররা। ওয়াকার ছিলেন বেশ স্বতস্ফুর্ত, কাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনিও সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন বোলারদের বিভিন্ন পরামর্শ দিতে।

প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ ৮২ জন বোলার চূড়ান্ত বাছাইয়ে অংশ নেনে। তাদের মধ্যে থেকে প্রথমে ২৮ জনকে দ্বিতীয়ধাপে নির্বাচিত করা হয়। এরপর এদের মাঝ থেকেই চূড়ান্ত করা হয় ‘ফিউচার সিক্সার্সে’র সেরা দশজন বোলার।

সেরা দশে জায়গা করে নেন সাত পেসার ও তিন স্পিনার। পেসারদের মধ্যে নির্বাচিত হন আহাদুর রহমান অভি, সফর আহমেদ, সুলতান আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, তোফায়েল আহমদ, রুমান আহমদ ও জয়নুল ইসলাম। বাকি তিন স্পিনার হলেন নাঈম আহমেদ, ইসহাক আলী ও নাঈম আহমেদ সাকিব।

সকাল নয়টায় শুরুর কথা থাকলেও ফিউচার সিক্সার্স কার্যক্রম শুরু হয় বেলা সাড়ে ১১টা। শুরু থেকে কয়েক গ্রুপে ৮২ জন বোলারের বোলিং পরখ করেন ওয়াকার ইউনিস। প্রত্যেক বোলারকে চার বল করার সুযোগ দেওয়া হয়। সেখান থেকে দ্বিতীয় ধাপে ২৮জন বোলারকে নির্বাচিত করা হয়। এই প্রক্রিয়া চলে দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। এরপর পরবর্তী ধাপে এদের মাঝে থেকে ৭ জন পেসার ও ৩ জন স্পিনারসহ মোট ১০জনকে সেরা নির্বাচন করা হয়।

দুপুরে ফিউচার সিক্সার্স কার্যক্রমের বিরতীতে ওয়াকার ইউনিস সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। সিলেট সিক্সার্স, ফিউচার সিক্সার্স কর্মসূচি প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ফিউচার সিক্সার্স কর্মসূচি আয়োজন সংক্ষিপ্ত সময়ের উদ্যোগ হলেও এটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এই বোলিং লিজেন্ড। এর মাধ্যমে তরুণরা দারুণ উপকৃত হবে বলেই তাঁর মত, ‘আমি খুব ছোট্ট শহর থেকে এভাবেই এসেছি। যে কারণে আমি জানি এধরণের উদ্যোগের গুরুত্ব। কারণ শহর কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছেলেদের জন্য নিজেকে প্রকাশের এটা একটা বড় সুযোগ।’

এ ধরণের উদ্যোগ আরো দীর্ঘমেয়াদী হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি, ‘এখন যেটা করা হয়েছে তাতে সময় কম ছিল। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে ছেলেরা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারছে না। কিন্তু একটু সময় পাওয়া গেলে আমার সাথে তাদের বোঝাপড়াটা আরো ভালো হত।’
বিকেলে সেরা দশ বোলারের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর সিলেট সিক্সার্স দলের জার্সি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়। সন্ধ্যায় আতশবাজির ঝলকানিতে শেষ হয় আনুষ্ঠানিকতার।

ইফ/আ-ইফ

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর