জাতীয়



দেশদর্পণ ডেস্ক

২২ নভেম্বর ২০১৭, ১০:৩০ অপরাহ্ণ




প্রাইভেট ক্লিনিকে ডেলিভারীর ৮৩ শতাংশই সিজারিয়ান : জরিপের তথ্য

দেশদর্পণ ডেস্ক :: দেশের প্রাইভেট হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলোর মোট ডেলিভারির ৮৩ শতাংশই হয় সিজারিয়ানের মাধ্যমে। আর সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে এই হার ৩৫ শতাংশ এবং এনজিও পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩৯ শতাংশ। এ ছাড়া প্রাইভেট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সিজারের ৩২ শতাংশই অপ্রয়োজনীয়।

বুধবার (২২ নভেম্বর) রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান-নিপোর্টের আয়োজনে ‘বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু ও স্বাস্থ্যসেবা জরিপ ২০১৬’-এর ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক। নিপোর্টের মহাপরিচালক রওনাক জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যসচিব (শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ) ফয়েজ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সরোয়ার, নিপোর্টের পরিচালক রফিকুল ইসলাম সরকার, ইউএসআইডির পরিচালক (ওপিএইএনই) ক্যারোল ভেসক্যুয়েজ, ডিএফআইডির প্রতিনিধি জেনি এডমন্ডসন প্রমুখ।

জরিপের ফল তুলে ধরে জানানো হয়, দেশের স্বাস্থ্য খাতে ও প্রসবসেবার মানের অনেকটা উন্নতি হলেও মাতৃমৃত্যু হার কমেনি। এই হার ২০১০ সালে প্রতি লাখে ছিল ১৯৬ জন, যা ২০১৬ সালেও একই অবস্থায় ছিল। আর এই মাতৃমৃত্যুর ৫৫ শতাংশই ঘটে রক্তক্ষরণ ও একলাম্পশিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। তবে বাড়িতে ডেলিভারির হার কমে এখন ৫০ শতাংশ হয়েছে, দক্ষ প্রসব সেবাদানের হার ২০১০ সালের ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫০ শতাংশ হয়েছে।

এ ছাড়া বছরে দেশে ১০ লাখ সিজারিয়ান ডেলিভারি হলেও এর মধ্যে সাড়ে সাত লাখই হচ্ছে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিকে।

এ ক্ষেত্রে ব্যয়ও বেশি হচ্ছে। ২০১০ সালে প্রাইভেট হাসপাতালে ডেলিভারির হার ছিল ১১ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে বেড়ে হয় ২৯ শতাংশ। অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একই সময়ের ব্যবধানে ডেলিভারি হার ১১ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪ শতাংশ হয়েছে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর