জাতীয়, লিড নিউজ



দেশদর্পণ ডেস্ক

৩ মার্চ ২০১৮, ৪:৪৭ অপরাহ্ণ




দেশের কেউ গৃহহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

দেশদর্পণ ডেস্ক :: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের কেউ গৃহহীন থাকবে না। কেউ কুড়ে ঘরেও থাকবে না। নিদেন পক্ষে আমরা একটি টিনের ঘর হলেও করে দেব। একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প করে দিয়েছি। এর মধ্য দিয়ে নিজের ব্যবসা নিজে করার সুযোগ পাচ্ছে।

আজ শনিবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে বিশ্বসভায় চলতে আমরা উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আপনারা জানেন, পদ্মাসেতু থেকে যশোর, খুলনা, বাগেরহাট হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেলসেবা চালুর উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছি আমরা।

তিনি বলেন, বিএনপির সময় খুলনা নগরী ছিল সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য। প্রতিদিন মানুষ খুন হতো, মায়ের কোল খালি হতো। আমরা কঠোর হস্তে জঙ্গি দমন করেছি। খুলনা এখন শান্তির নগরী। খুলনায় সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সে জন্য সবার সহযোগিতা চাইছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। খুলনার উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। ১০টি নয়, ২০টি নয় আজকে ১০০টি প্রকল্প নিয়ে খুলনায় হাজির হয়েছি। এর মধ্যে ৪৮টি উদ্বোধন ও ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি।

খুলনার উন্নয়ন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন কল-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করেছি। এখন রেললাইন একেবারে মংলা বন্দর পর্যন্ত যেন যায় সেই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি। সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি।’

খুলনার বিভিন্ন উন্নয়নের কথা উল্ল্যেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের এখন বই কিনতে হয় না, আমি বইয়ের দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারির ১ তারিখ বই উৎসব হয়। বই কিনতে বাবা-মাকে একটা টাকাও খরচ করতে হয় না। স্বাস্থ্যসেবা দিতে খুলনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল করেছি।’

তিনি বলেন, আমরা ভারত থেকে ৫০০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছি। পর্যায়ক্রমে এ আমদানির পরিমাণ একহাজার মেগাওয়াট হবে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। এ বৈশ্বিক গ্রামে এককভাবে উন্নতি করা প্রায়ই দুঃসাধ্য। অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি লাভ করতে হলে আন্তঃমহাদেশীয়, আন্তঃদেশীয় এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও সহযোগীতা বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, মার্চ মাস আমাদের ঐতিহাসিক মাস। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের দিন। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের বাঙালি জাতির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারপর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। আমরা বিজয়ী হই।

বেআ/আবে

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর