দেশদর্পণ ডেস্ক
Ad Space
চূড়ান্ত ট্রায়ালে কার্যকর জাপানের অ্যাভিগান

তীব্র উপসর্গ নেই এমন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার সময় কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ অ্যাভিগান। এমন পরিস্থিতিতে এই ওষুধ জাপানে রেগুলেটরি অনুমোদন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাপানের ফুজিফিল্ম হোল্ডিংস করপোরেশন এ তথ্য জানিয়েছে।

কোম্পানীর পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘তারা জাপানে ১৫৬ জন রোগীর ওপর তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল টায়াল চালিয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অ্যাভিগান দেওয়া হয়েছিল এমন করোনা রোগী ১১.৯ দিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন, আর যাদের প্লাসেবো দেওয়া হয়েছিল সুস্থ হতে ১৪.৭ দিন সময় লেগেছে।

পরীক্ষায় অ্যাভিগানের কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর টোকিওতে ফুজিফিল্মের শেয়ারের দাম ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি গত চার মাসের মধ্যে কোম্পানিটির সর্বোচ্চ শেয়ারের দামবৃদ্ধি।।

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে করোনার চিকিৎসায় অ্যাভিগানের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিলেন। এজন্য মে মাসের মধ্যেই যাতে ওষুধটি স্থানীয় পর্যায়ে অনুমোদন দেওয়া যায় তার চেষ্টা চালানো হয়।

জাপানের জন্য ফুজিফিল্মকে অ্যাভিগানের জাতীয় মজুদ তিনগুণ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানায়। এমনকি অনুরোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশে এই ওষুধ দান করারও প্রতিশ্রুতি দেয় জাপান।

কিন্তু জাপানে করোনা রোগীর স্বল্পতার কারণে ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। গত জুলাইয়ে ফুজিতা হেলথ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এই ওষুধটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করলেও পর্যাপ্ত রোগীর অভাবে তা শেষ করতে ব্যর্থ হন।

উল্লেখ্য, অ্যাভিগান এক ধরনের অ্যান্টি-ভাইরাল ড্রাগ; যা মানবদেহে ভাইরাসের বংশবিস্তারে বাধা দেয়। এর আগে ইবোলা ভাইরাস চিকিৎসায় অ্যাভিগানের জেনেটিক গোত্রীয় ফ্যাভিপিরাভির’র প্রয়োগ করেছিলেন গবেষকরা।