এক্সক্লুসিভ



দেশদর্পণ ডেস্ক

২২ নভেম্বর ২০১৭, ৯:২৬ পূর্বাহ্ণ




গ্রেস মুগাবে : টাইপিস্ট থেকে ফার্স্টলেডি

দেশদর্পণ ডেস্ক :: প্রবল বিক্ষোভ, জনরোষ আর চাপের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হলেন জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতার নায়ক প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে। কিন্তু জনরোষটা যতটা তার কেন্দ্রবিন্দুতে আসলে মুগাবে নয় তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেস মুগাবে। সদ্য সাবেক হওয়া এই ফার্স্টলেডিকেই দেশটির ভবিষ্যত প্রেসিডেন্ট বানাতে চেয়েছিলেন রবার্ট মুগাবে।

৯৩ বছর বয়সী মুগাবে তার চেয়ে ৪১ বছরের ছোট গ্রেসকে তিনি বিয়ে করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। পরবর্তী সময়ে এই গ্রেসই চলে আসেন জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং নিজেও লড়াইয়ে নামেন ভাইস-প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার সাথে।যার ফলশ্রুতিতে শেষ পর্যন্ত মানাঙ্গাগওয়াকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট মুগাবে। যা শেষ পর্যন্ত স্বয়ং মুগাবেকেই ক্ষমতাচ্যুত করার পরিস্থিতিতে দাড় করিয়ে দেয়।

কিন্তু কে এই ফাস্টলেডি গ্রেস মুগাবে? কিভাবে তিনি জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার দ্বন্দ্বের শক্তিশালী চরিত্র হয়ে উঠলেন। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে। দেশদর্পণের পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো-

৪১ বছরের বড় রবার্ট মুগাবের সাথে যখন প্রেম শুরু করেন, তখন তিনি মূলত স্টেট হাউজের একজন টাইপিস্ট। মুগাবে তখন বিবাহিত ছিলেন যদিও তার স্ত্রী স্যালি তখন অসুস্থ ছিলেন এবং পরে ১৯৯২ সালে মারা যান। এরপর ১৯৯৬ সালে ঝাঁকঝমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রেসকে বিয়ে করেন মুগাবে। মুগাবে ও গ্রেস দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে।

গ্রেস মুগাবে সমালোচিত হন তার বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য। ২০১৪ সালে ক্ষমতাসীন জানু-পিএফ পার্টির মহিলা শাখার প্রধান করা হয় তাকে। ডিসেম্বরে তাকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট করার কথা শোনা যাচ্ছিল।

২০১৭ সালে একজন মডেলকে নিগ্রহ করার ঘটনায় অভিযুক্ত হন তিনি। ইউনিভার্সিটি অফ জিম্বাবুয়ে থেকে সমাজবিজ্ঞানে তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। জিম্বাবুয়ের ধনাঢ্য এলাকাগুলোতে তার প্রচুর সম্পদ রয়েছে।। বিলাসবহুল শপিংয়ের জন্য ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছিল তার। রবার্ট মুগাবের মতো গ্রেস মুগাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। রবার্ট মুগাবের পদত্যাগের ঘোষণার পর গ্রেস মুগাবের ভবিষ্যৎ কি হয় সেদিকেও দৃষ্টি এখন সবার।

এ সংক্রান্ত অন্য প্রতিবেদন পড়ুন-
কাঠমিস্ত্রির ছেলে থেকে জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতার নায়ক মুগাবে

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর