খেলাধুলা



দেশদর্পণ ডেস্ক

৯ নভেম্বর ২০১৭, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ




এখনই নতুন কোচ বিষয়ে ভাবতে নারাজ বিসিবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক :: কোচের দায়িত্ব থেকে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বিদায় নিচ্ছেন- এমন খবর প্রায় সারাদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চর্বিত হয়েছে। ক্রিকেট বিষয়ক অনলাইন সাময়িকী ক্রিকইনফো এই সংবাদ প্রকাশের পর রীতিমতো হইচই চারদিকে। কোচের পদত্যাগের কারণ থেকে সম্ভাব্য নতুন কোচ কে হতে পারেন এগুলোই ছিল আলোচনার মূল বিষয়বস্তু। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনেও বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের কাছে সম্ভাব্য নতুন কোচ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা। কিন্তু এখনই এ বিষয়ে কিছু ভাবছেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমরা এ মুহূর্তে নতুন কোচ নিয়ে ভাবছি না। ১৫ নভেম্বর হাথুরুসিংহে দেশে আসবেন। আমরা তারপরই বুঝতে পারব তিনি কোচ থাকছেন কি থাকছেন না।’

এ সময় পাপন আরো বলেন, ‘হাথুরুসিংহে খুব পেশাদার আমরাও তার ব্যাপারে পেশাদারিত্ব দেখাব। কেউ যদি থাকতে না চায়, তাকে তো জোর করে রাখা যাবে না। আমরা কারণ জানতে চাইব। কেন তিনি যেতে চাইছেন?’ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে হাথুরুসিংহের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়াটাকে অস্বাভাবিক বলে উল্লেখ করেছেন পাপন। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ব্যর্থতার দায়ে হাথুরুর সমালোচকদেরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন বিসিবি সভাপতি।

তিনি বলেন, ‘কোচ হিসেবে কেউ চাইবে না, ওর কাজের প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো বিতর্ক থাকুক। বাংলাদেশে কাজ নিয়ে যে সমালোচনা হয়, ও হয়তো এসব নিয়ে বিব্রত। এসব হলে কোনো কোচই এ দেশে কাজ করতে চাইবে না। দল ভালো করলেও হাথুরুসিংহেকে নিয়ে সমালোচনা করা হয়, না করলে তো হয়ই। কখনো তো কেউ ওকে ভালো কিছু বলে না। সেজন্য পদত্যাগ করে থাকতে পারে।’

পাপন বলেন, ‘যদিও পদত্যাগপত্রে হাথুরু নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি। কাজেই ওর সঙ্গে কথা বলার আগ পর্যন্ত বলা মুশকিল আসল কারণটা কী।’ এ সময় কয়েকজন খেলোয়াড়ের কোচ নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা হাথুরুর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারেন বলে উল্লেখ করেন পাপন।

২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে পাপন বলেন, ‘আমরা একটা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিলাম। তার এমন সিদ্ধান্তে সেই পরিকল্পনাটা বাধাগ্রস্ত হলো। হাথুরুসিংহে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে থাকলে আমাদের জন্য ভালো হতো। তাকে নিয়ে আমাদের সঙ্গে ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি ছিল। ওর কাজ করতে কোনো সমস্যা হলে আমাদের কিছু না কিছু জানায়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের সময় থেকে আমাদের সঙ্গে আর একবারও যোগাযোগ করেনি। এটা আমার কাছে আবেগী মনে হচ্ছে।’

এদিকে মিরপুর স্টেডিয়ামপাড়ায় সম্ভাব্য নতুন কোচের ব্যাপারে নানা গুঞ্জন শোনা গেছে। কারো কারো মতে, হয়তো তাত্ক্ষণিকভাবে বিদেশী কোনো কোচকে দায়িত্ব নাও দেয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন বিসিবি পরিচালক ও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন। তবে শেষ পর্যন্ত হাথুরু যদি চলেই যান, সেটি বাংলাদেশের ক্রিকেটে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর