খেলাধুলা



দেশদর্পণ ডেস্ক

২২ মার্চ ২০১৮, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ




আবারও অকল্যান্ড, মাত্র ৫৮ রানে সব উইকেট হারাল ইংল্যান্ড

দেশদর্পণ ক্রীড়া :: অকল্যান্ডে যাত্রায় গোলাপি বলের ক্রিকেট। ইংল্যান্ডের শুরুটা হল বড়ই নড়বড়ে। বেন স্টোকসের ফেরার দিন, তবু বোল্ট-সাউদিদের বোলিংয়ে ধরাশায়ী হয়েছে অল্পতে। প্রথম ইনিংসে ট্রেন্ট বোল্ট ও টিম সাউদির বোলিং তোপে ৫৮ রানে গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ড। টেস্টে সর্বনিম্ন রানের লজ্জার বিশ্বরেকর্ডের শঙ্কাটা জেঁকে বসেছিল ইংলিশদের কাঁধে। তবে শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।

৯ নম্বরে নেমে ২৫ বলে ৩৩রানের হার না মানা ইনিংস খেলে সেই লজ্জাও এড়িয়েছে জো রুটের দল। অকল্যান্ডে দিবারাত্রির টেস্টে ৫৮ রানে অলআউট হয়েছে ইংল্যান্ড।

ওভারটন ছাড়া দুই অঙ্কেরঘর স্পর্শ করেছেন মাত্র একজন। মার্ক স্টোনম্যানের ব্যাট থেকে এসেছে ১১ রান। ডাক মেরেছেন ৫ জন। বাকিদের ইনিংসগুলো মোবাইল ফোনের ডিজিট।

শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। ঘরোয়া কন্ডিশনের ফায়দা পুরোপুরি নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। বিশেষ করে বোল্টের ১৩০ কি.মি. গতির বোলিংয়ে ব্যাট দিয়ে জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। যেখানে ডাক ছিল ৫টি। সর্বোচ্চ ৩৩ রানে অসহায়ভাবে অপরাজিত ছিলেন ওভারটন। স্টোকস শূন্য রানে বোল্ড হয়েছেন বোল্টের বলে। এছাড়া ডাবল ফিগারে ছিলেন স্টোনম্যান। আউট হওয়ার আগে ১১ রান করেন।

বোল্ট ও সাউদির মিলিত আক্রমণে ২৭ রানে ৯ উইকেট হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। তাই সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার রেকর্ডের কাছেই ছিল তারা। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই লজ্জা আর পেতে হয়নি। টেস্টে সর্বনিম্ন দলীয় স্কোরের তালিকায় এটা তাদের ষষ্ঠ লজ্জা। ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোরটি ৪৫ রান। ১৮৮৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে এত কম রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। এরপর সব শেষ ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৫১ রানে গুটিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

কিউইদের হয়ে ৩২ রানে ৬ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। ২৫ রানে ৪টি নেন টিম সাউদি।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর